• ৭ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ২৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Twitter

কলকাতা

বিধানসভার অধিবেশন শুরুর সুপারিশ ফেরত পাঠালেন রাজ্যপাল

রাজ্য ও রাজ্যপাল সংঘাতের বাতাবরণে ফের নয়া টুইট করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। আর এবার রাজ্যপালের টুইট ঘিরে ফের চর্চায় রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন। রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন ৭ মার্চ থেকে শুরু করতে চাইছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ওই দিন থেকে আদৌ বিধানসভার অধিবেশন শুরু করা যাবে কি না, তা নিয়ে ফের এক জটিলতা দেখা দিয়েছে। রাজ্যপালের বক্তব্য, ৭ মার্চ থেকে বিধানসভা অধিবেশন শুরু করার যে সুপারিশ রাজভবনে পাঠানো হয়েছে, তা সংবিধান মেনে করা হয়নি। সেই কারণে অধিবেশন ডাকার জন্য ওই সুপারিশ ফেরত পাঠানো ছাড়া রাজ্যপালের কাছে আর কোনও উপায় খোলা নেই। টুইটারে এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।WB Guv:Honble CM Mamata Banerjee recommendation to summon assembly on March 7 had to be returned for constitutional compliance as Guv summons assembly on the recommendation made by the Cabinet after due compliance of Rules of Business under article 166(3) of constitution. 1/2 pic.twitter.com/lCdvDuukpB Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) February 19, 2022রাজ্যপালের বক্তব্য, সংবিধান অনুযায়ী, একমাত্র রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়ার পরেই বিধানসভার অধিবেশন ডাকার জন্য সুপারিশ করতে পারেন পরিষদীয় মন্ত্রী। অথচ, পরিষদীয় মন্ত্রী যে সুপারিশটি রাজভবনে পাঠিয়েছেন, তাতে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিষয়টি কোথাও উল্লেখ করা হয়নি। রাজ্যপালের বক্তব্য, বিষয়টি সংবিধানের ১৬৬ (৩) ধারার সম্পূর্ণ পরিপন্থী। রাজ্যপাল কেবল রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমোদন মিললে তবেই বিধানসভার অধিবেশন ডাকতে পারেন। সেই কারণে, ওই সুপারিশ রাজ্য সরকারের কাছে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্মতি নিয়ে রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন ডাকার জন্য রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কাছে সুপারিশ করেছিলেন রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সেই সুপারিশ অনুযায়ী, আগামী ৭ মার্চ দুপুর ২ টোর সময় রাজ্য বিধানসভার বাজেট অধিবেশন ডাকার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু, সেই সুপারিশ ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজনীতি

টুইটার বিতর্কে বিবৃতি আইপ্যাকের

আইপ্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের সম্পর্ক এমন তলানিতে হয়ত এই প্রথমবার। একেবারে কাদা ছোড়াছুড়ির পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। তৃণমূলের এক ব্যক্তি এক পদ নীতি নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছেছে। আসরে নামতে হয়েছে ফিরহাদ হাকিমের মতো প্রথম সারির নেতাদের। আর এই চলতে থাকা বিতর্কের মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল (টুইটার ও ফেসবুক পেজ) থেকে এক ব্যক্তি, এক পদ নীতির সমর্থনে পোস্ট। তাও আবার কভার ফটো। যদিও মন্ত্রী দাবি করেন, তাঁর জ্ঞাতসারে বিষয়টি হয়নি। আইপ্যাক তাঁকে না জানিয়েই এই কাজ করেছে। আইপ্যাকের বিরুদ্ধে ওঠা এই বিতর্কের মধ্যেই এবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করল ভোট কুশলী সংস্থা।উল্লেখ্য, আইপ্যাক ও তৃণমূলের মধ্যে বিগত কিছুদিন ধরে সম্পর্কের যে অবনতি ঘিরে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল, তারপর থেকে এই প্রথমবার গোটা বিতর্ককে ঘিরে নিজেদের অবস্থান জানাল আইপ্যাক। সেই সঙ্গে আইপ্যাকের তরফে আরও বলা হয়েছে, কীভাবে তৃণমূলের নেতা-নেত্রীদের ডিজিটাল হ্যান্ডেল অপব্যবহারের অভিযোগ উঠছে, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্যও তৃণমূল শিবিরকে পরামর্শ দিয়েছে আইপ্যাক। রাজ্যের মন্ত্রীর টুইটার হ্যান্ডেল থেকে যে পোস্ট ঘিরে এত বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল, তার দায় আইপ্যাকের উপর চাপিয়ে দিয়েছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁর সেই প্রতিক্রিয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই অফিশিয়াল বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে আইপ্যাক।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
কলকাতা

Bangla Pokkho: বড়বাজারে বাঙালির নিরাপত্তার দাবিতে বাংলা পক্ষর টুইটার ক্যাম্পেন

বাংলার সব থেকে বড় বাজার হলো কলকাতার বড়বাজার। সেখান থেকেই সমগ্র বাংলা জুড়ে মাল সরবরাহ হয়। কিন্তু বাংলার এই বিপুল সরবরাহে বাঙালির অংশীদারত্ব নগন্য। সমগ্র বড়বাজার এখন বহিরাগতদের দখলে। বাঙালি শূন্য করার চেষ্টা চালাচ্ছে বহিরাগতরা। এমতাবস্থায় বাঙালিদের বড়বাজারে বারবার হেনস্থার শিকার হতে হয়। সম্প্রতি বাঙালি ভাই রামেশ্বর হালদারকে বড়বাজারে বেওসায়ী রূপী বহিরাগত গুন্ডারা মেরেছে বাংলায় কথা বলার অপরাধে, বাংলায় কথা বলার জন্য বাঙালি বোন ফতেমা আখতারকে হেনস্থা ও শ্লীলতাহানি করেছে বহিরাগত বেওসায়ী আনুরাগ আগরওয়াল।বড়বাজার তৈরি করেছিল শীল, বসাক-সহ বাঙালি ব্যবসায়ীরা। বহিরাগতরা বড়বাজার দখল করে বাঙালিদের মারে, বাঙালিকে অপহরণ করে, বাঙালির দোকান জ্বালায়, ভয় দেখায়, জাতি তুলে গালি দেয়। এর প্রতিবাদ করেছিল বীর বাঙালি শহিদ সব্যসাচী মণ্ডল। বহিরাগত গুন্ডা, মাফিয়াদের হাতে তাকে খুন হতে হয়।বড়বাজারে বাঙালি ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বড়বাজার বাংলায় অবস্থিত কিন্তু বড়বাজারে বাংলায় কথা বলা যায় না। বাঙালি বিদ্বেষের এই অবস্থার বদল চেয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বাংলা পক্ষ টুইটার ক্যাম্পেইনের ডাক দেয়। #AntiBengaliBarabazar এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তর এবং প্রধানকে মেনশন করা হয় টুইটে। টুইটারে অংশগ্রহণ করে বাংলা পক্ষর বহু সহযোদ্ধা- সমর্থক। টুইটারে অংশগ্রহণকারী সাধারণ বাঙালীর সংখ্যাও ছিলো চোখে পড়ার মতো। বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে সকল বাঙালি এক হচ্ছে। আগামীদিনে বড়বাজারের মাটি হবে বাঙালির ঘাঁটি। যতদিন পর্যন্ত বাঙালির ক্ষোভ ত্রাসে পরিণত হবে বহিরাগত গুন্ডাদের ততদিন পর্যন্ত বাংলা পক্ষর লড়াই চলবে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Dharmendra : ফার্ম হাউসের রাঁধুনির মেয়ের ছবি পোস্ট করলেন ধর্মেন্দ্র

ফার্ম হাউসের রাঁধুনির মেয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করলেন ভারতের প্রবীন জনপ্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। তাঁর পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি খুদে মেয়ে সবুজে ঘেরা বাগানের মাঝে দাঁড়িয়ে আছে। উজ্জ্বল সাদা এবং গোলাপি রঙের পোশাকে দেখা যাচ্ছে তাকে।ছবি শেয়ার করে ধর্মেন্দ্র লিখেছেন, আদিতি, আমার ডার্লিং পুতুল, আমার ফার্ম হাউসের রাঁধুনির মেয়ে। তাঁর পোস্ট করা ছবির কমেন্ট বক্সে প্রচুর অনুরাগী ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। যারা টুইট করেছেন তারা আবার পোস্টের নীচে পুরনো একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছেন।শীঘ্রই করণ জোহর পরিচালিত ছবি রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে ৮৬ বছর বয়সী এই বর্ষীয়ান অভিনেতাকে। ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন রণবীর সিং এবং আলিয়া ভাট। রণবীর কে রকি এবং আলিয়া ভাট কে রানীর চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাজাবে। অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করছেন সাবানা আজমি এবং জয়া বচ্চন।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
বিদেশ

Twitter New Policy: নতুন সিইও বদলের পরই টুইটারের প্রাইভেসি নীতিতে বড়সড় বদল

দিন কয়েক আগেই টুইটারের সিইও পদে ইস্তফা দিয়েছেন জ্যাক ডরসে। সেই পদে দায়িত্ব নিয়েছেন পরাগ আগরওয়াল। আর তারপরই পলিসিতে পরিবর্তন আনল টুইটার। প্রাইভেসি পলিসিতে বেশ কিছু বদল আনছে ওই সংস্থা। কোনও ব্যক্তির পরিচয় বা ব্যক্তিগত তথ্য যাতে গোপন থাকে, সে দিকে আরও বেশি করে নজর দেওয়া হবে।টুইটারের পক্ষ থেকে ব্লগে জানানো হয়েছে, এবার থেকে কারও অনুমতি ছাড়া তাঁর কোনও তথ্য সংক্রান্ত মিডিয়া ফাইল শেয়ার করা যাবে না। সুরক্ষার দিকে নজর দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মানবাধিকার রক্ষার বিষয়টিও মাথায় রাখা হয়েছে।মূলত ছবি বা ভিডিও শেয়ার করার ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু করা হচ্ছে। এবার থেকে কোনও ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া তাঁর কোনও ছবি বা ভিডিও টুইটারে শেয়ার করা যাবে না। শুধু ছবিই নয়, যোগাযোগের নম্বর, বাড়ি ঠিকানাও কোনওভাবে শেয়ার করা যাবে না। কোনও পোস্টের সূত্র ধরে যাতে হেনস্থার ঘটনা না ঘটে, তার জন্যই এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে।বাড়ির ঠিকানা, জিপিএস সংক্রান্ত তথ্য, কোনও সরকারি পরিচয় পত্র, আধার কার্ডের মতো পরিচয় পত্রের নম্বর, ফোন নম্বর, মেল আইডি, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি শেয়ার করা যাবে না টুইটারে। নতুন পলিসি অনুযায়ী, যদি কেউ এরকম কোনও পোস্ট সম্পর্কে অভিযোগ জানান, তাহলে সেই পোস্ট সরিয়ে দেবে টুইটার।

ডিসেম্বর ০১, ২০২১
বিদেশ

Parag Agarwal: টুইটারের নতুন সিইও মুম্বইয়ের পরাগ আগরওয়াল

টুইটারের সিইও পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন জ্যাক ডোরসে। আর তাঁর ছেড়ে যাওয়া পদে এবার বসলেন পরাগ আগরওয়াল। তিনিই হচ্ছেন টুইটারের নতুন সিইও। পরাগ আগরওয়াল এতদিন টুইটারে সিটিও পদে নিযুক্ত ছিলেন। মুম্বইয়ের পরাগ আগরওয়াল আইআইটি প্রাক্তনী। জ্যাক ডোরসের ইস্তফার পর সিটিও থেকে পরাগ আগরওয়ালের পদোন্নতি হয়ে সিইও হচ্ছেন তিনি।টুইটারের সকল কর্মীর কাছে পাঠানো একটি ইমেলে, জ্যাক ডরসি লিখেছেন, আমাদের কোম্পানিতে সহ-প্রতিষ্ঠাতা থেকে সিইও থেকে চেয়ার থেকে এক্সিকিউটিভ চেয়ার থেকে অন্তর্বর্তী সিইও থেকে সিইওআই প্রায় ১৬ বছর সংস্থার বিভিন্ন ভূমিকায় কাটানোর পর সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে অবশেষে আমার বিদায় নেওয়ার সময় এসেছে।উল্লেখ্য, পরাগ আগরওয়াল আইআইটি বম্বে থেকে তার ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেছেন। এরপর স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট করেন তিনি। টুইটারের সদ্য প্রাক্তন সিইও জ্যাক ডরসিও তাঁর উত্তরসূরি পরাগ আগরওয়ালের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সংস্থার কর্মীদের উদ্দেশে ইমেলে, তিনি বলেছেন, বোর্ড সমস্ত বিকল্প বিবেচনা করে একটি কঠোর প্রক্রিয়া চালিয়েছে এবং সর্বসম্মতিক্রমে পরাগকে নিয়োগ করেছে। তিনি কোম্পানি এবং এর চাহিদাগুলিকে কতটা গভীরভাবে বোঝেন তা বিবেচনা করে তিনি কিছু সময়ের জন্য আমার পছন্দ হয়েছিলেন। পরাগ প্রতিটি সমালোচনামূলক সিদ্ধান্তের পিছনে ছিলেন। যা এই কোম্পানিকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে। তিনি কৌতূহলী, অনুসন্ধানী, যুক্তিবাদী, সৃজনশীল, দাবিদার, স্ব-সচেতন এবং নম্র। তিনি হৃদয়ের অন্তস্থল থেকে নেতৃত্ব দেন এবং এমন একজন যার থেকে আমি প্রতিদিন শিখি। আমাদের সিইও হিসাবে তার উপর আমার গভীর বিশ্বাস রয়েছে।

নভেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Twitter Hack: মহিলা মোর্চার সভানেত্রীর টুইটার হ্যাক

রাজ্য মহিলা মোর্চা সভানেত্রী ও বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পালের টুইটার অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়ে গিয়েছে এবং সেখান থেকে পরিচিত লোকজনদের নানাবিধ ম্যাসেজ পাঠানো হচ্ছে। এই মর্মে বিধায়কের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ৫৬ হাজার ফলোয়ারের উদ্দেশ্যে কোনও বার্তা গেলে তা যেন এড়িয়ে যাওয়া হয়, সেজন্য আবেদন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই লালবাজারের সাইবার শাখায় একটি লিখিত অভিযোগও জানানো হয়েছে। অবিলম্বে এই বিষয়ে পদক্ষেপ করার আবেদনও জানানো হয়েছে।রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বর তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে এমনটা করা হয়েছে। যাতে মহিলা মোর্চার সভানেত্রীর ভাবমূর্তি নষ্ট করা যায়। কিন্তু অপচেষ্টা কখনই সফল হবে না।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
দেশ

Congress: ৫ কংগ্রেস নেতার অ্যাকাউন্ট ব্লক করল টুইটার! কেন? জানুন

কেবল রাহুল গান্ধি নয়, বন্ধ করা হয়েছে একাধিক শীর্ষ কংগ্রেস নেতার টুইটার অ্যাকাউন্টও। বুধবার এমনই অভিযোগ করল কংগ্রেস। দেশের এই সবচেয়ে পুরনো রাজনৈতিক দলটির অভিযোগ, টুইটারের তরফে বন্ধ করা হয়েছে কংগ্রেসের মিডিয়া ইনচার্জ রণদীপ সুরজেওয়ালা, এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মাকেন, লোকসভার সদস্য মণিক্কম ঠাকুর, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জীতেন্দ্র সিং এবং মহিলা কংগ্রেসের সভানেত্রী সুস্মিতা দেবের টুইটার অ্যাকাউন্ট।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসএই অভিযোগকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, কেন্দ্র কলকাঠি নাড়ায় রাহুল গান্ধি-সহ তাঁদের শীর্ষ নেতাদের টুইটার অ্যাকাউন্ট ব্লক করেছে টুইটার। কণ্ঠরোধের চেষ্টা করছে কেন্দ্র। তাঁদের দাবি, এরপরেও অন্যায়ের প্রতিবাদ করবে কংগ্রেস। বিজেপি সরকারের সমস্ত অন্যায় কাজের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সরব হবে দল। এদিকে, বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র অভিযোগ করেন, পকসো আইনের ৭৪ নম্বর ধারা ভেঙেছেন রাহুল গান্ধি। এরপরই কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হয়, রাহুল গান্ধির টুইটার অ্যাকাউন্টটি সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। যদিও টুইটারের তরফে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়ার হয়।

আগস্ট ১২, ২০২১
দেশ

Twitter Distorted map: টুইটার ইন্ডিয়ার প্রধানের বিরুদ্ধে এফআইআর

ফের ভারত সরকারের সঙ্গে সংঘাতে টুইটার (Twitter)। আর এর ফলে বিপাকে পড়লেন এদেন টুইটারের প্রধান কর্তা মণীশ মাহেশ্বরী। আরও একবার ভারতের (India) বিকৃত মানচিত্র প্রকাশ করায় তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হল এফআইআরও।নিজেদের ওয়েবসাইটে ভারতের ভুল মানচিত্র প্রকাশ করায় টুইটারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেছেন উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) বুলন্দশহরের এক বজরং দল নেতা। জানা গিয়েছে, টুইটার ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মণীশ মাহেশ্বরীর নামে থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধি ৫০৫ (২) এবং আইটি অ্যাক্ট ৭৪ ধারায় মামলা রুজু হয়েছে। ইতিমধ্যে কেন্দ্রের তরফ থেকেও একই কারণে টুইটারকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ অতীত টেনে রাজ্যপালকে পালটা দুর্নীতিগ্রস্ত বললেন মমতা প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে ভারতের বিকৃত মানচিত্র প্রকাশ করে টুইটার। ওই মানচিত্রে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে পৃথক দেশ হিসাবে দেখানো হয়। টুইটারের টুইপ লাইফ বিভাগে থাকা ভারতের মানচিত্রই বিকৃত করে দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ জানান জনৈক নেটিজেন। তারপরই এই নিয়ে বিতর্ক চরমে ওঠে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এই গোটা ঘটনায় টুইটারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে নড়েচড়ে বসে কেন্দ্র। জানা যায় মাইক্রো ব্লগ সাইটের বিরুদ্ধে একাধিক শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করার প্রস্তুতিও শুরু হয় রাজধানীতে। এই তালিকায় ছিল আর্থিক জরিমানা, আধিকারিকদের জন্য সাত বছরের জেল প্রভৃতি। এমনকী, আইটি আইনের ৬৯এ ধারায় টুইটারকে ব্লক করাও হতে পারে বলে জানা যায়। এমনিতেই নয়া ডিজিটাল আইন নিয়ে টুইটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বচসা চলছে কেন্দ্রের। তার উপর এই নয়া মানচিত্র বিতর্কের জেরে সেই বচসা যে আরও বাড়ছেই, তা নিয়ে সন্দেহ নেই। তবে তাতে যতি টেনে তড়িঘড়ি ভুল শুধরে নেয় টুইটার। তাতেও অবশ্য ঝামেলা শেষ হচ্ছে না। যার প্রমাণ টুইটার ইন্ডিয়ার ডিরেক্টর মনীশ মাহেশ্বরীর নামে থানায় অভিযোগ দায়েরের ঘটনা। যদিও এর আগেও একবার মানচিত্র বিতর্কে জড়িয়েছিল টুইটার। ওই সময় তাদের প্রদর্শিত ভারতের মানচিত্রে লে-কে জম্মু-কাশ্মীরের অংশ এবং লাদাখকে চিনের অংশ হিসেবে দেখানো হয়।

জুন ২৯, ২০২১
দেশ

বেঙ্কাইয়া নাইডুর পর মোহন ভগবত, খোয়ালেন টুইটারে নীল টিক

উপরাষ্ট্রপতি বেঙ্কাইয়া না্ইডুর পর সরসংঘচালক মোহন ভাগবত। টুইটারের নীল টিকের আভিজাত্য খোয়ালেন আরএসএস প্রধান । সম্প্রতি বেঙ্কাইয়া নাইডুর ব্যক্তিগত টুইটার হ্যান্ডেল থেকে নীল টিক সরে যাওয়ায় ব্যাপক বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে অবশ্য প্রোফাইলে টিক আবার ফিরে আসে তাঁর। কিন্তু এই আঁচ নিভতে না নিভতেই নতুন করে বিতর্কের ঝড় বয়ে যায় নেটদুনিয়ায়, যখন মোহন ভাগবত এবং বেশ কয়েকজন আরএসএস নেতার প্রোফাইল থেকে নীল টিক সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় টুইটার। আপাতত সেই নিয়েই জমেছে চাপানউতোর।টুইটারের পক্ষে থেকে জানানো হয়েছিল, ৬ মাস বা তার বেশি সময় ধরে যদি কোনও প্রোফাইল নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে থাকে, সেক্ষেত্রেই নিয়ম অনুযায়ী এই ব্যাজ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া এক ব্যক্তির নামে একাধিক ফেক প্রোফাইল আছে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে, যাতে ফেক নিউজ ছড়ানোয় রাশ টানা যায়। শুধু মোহন ভাগবতের নয়, একাধিক আরএসএস নেতার প্রোফাইলের নীল টিক ইতিমধ্যেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সংঘের দাবি, বেশ কিছুদিন আগে থেকেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যদি নিষ্ক্রিয়তাই এর একমাত্র কারণ হয়, তবে টুইটারের তরফ থেকে আগাম কিছু জানানো উচিত ছিল। কিন্তু সেরকম কোনও সতর্কবার্তা না দিয়েই বিশেষ বিশেষ কয়েকজনের প্রোফাইলের ব্যাজ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।শনিবার টুইটার বনাম কেন্দ্রের এই লড়াই নয়া মোড় নেয় একাধিক হাই প্রোফাইল অ্যাকাউন্ট থেকে ব্লু টিক তুলে নেওয়ায়। এদিন প্রথমে দেশের উপরাষ্ট্রপতি ভেঙ্কাইয়া নাইডু এবং পরে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের অ্যাকাউন্ট থেকে ব্লু টিক সরিয়ে নেয় টুইটার কর্তৃপক্ষ। ব্লু টিক সরিয়ে নেওয়া হয় আরও চারজন প্রথম সারির আরএসএস নেতার হ্যান্ডেল থেকে। টুইটারের পক্ষে থেকে জানানো হয়েছিল, ৬ মাস বা তার বেশি সময় ধরে যদি কোনও প্রোফাইল নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে থাকে, সেক্ষেত্রেই নিয়ম অনুযায়ী এই ব্যাজ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সেই যুক্তি কতটা গ্রহণযোগ্য তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নানা মহলে। উপরাষ্ট্রপতির অ্যাকাউন্টের ব্লু টিক আবার ফিরিয়েও দেয় টুইটার। কিন্তু এসবের মধ্যেই ঘটে কেন্দ্রের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। টুইটার ইন্ডিয়ার কর্তৃপক্ষকে চূড়ান্ত সতর্কবার্তা দিয়ে কেন্দ্রের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সরকারের নির্দেশ মেনে নোডাল অফিসার নিয়োগ না করা হলে ফলাফল ভাল হবে না।

জুন ০৫, ২০২১
দেশ

কাশ্মীরে খুন তিন বিজেপি কর্মী , নিন্দা মোদির

তিন বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুন করল অজ্ঞাতপরিচয় জঙ্গিরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগামে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিহত তিনজন হলেন বিজেপি-র যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক ফিদা হোসেন , উমের হাজাম এবং উমের রশিদ বেগ৷ কুলগামের ওয়াই কে পোরা এলাকায় এই তিনজনের উপরে হামলা চালায় জঙ্গিরা৷ ঘটনাস্থলে মারা যায় ফিদা হোসেন। বাকি দুই দলীয় কর্মী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যায়। টিআরএফ এই হামলার দায় স্বীকার করেছে৷ আরও পড়ুন ঃ সমাজবাদী পার্টিকে হারাতে প্রয়োজনে বিজেপিকে ভোটঃ মায়াবতী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই হামলার নিন্দা করে টুইটারে লিখেছেন, আমাদের তিনজন তরুণ কার্যকর্তার হত্যার নিন্দা করছি৷ যুব প্রজন্মের উজ্জ্বল প্রতিনিধি হিসেবে জম্মু কাশ্মীরে এঁরা খুব ভাল কাজ করছিল৷ এই শোকের সময়ে আমি তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই৷ তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করি৷ পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি ও ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবদুল্লাহও এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন৷

অক্টোবর ৩০, ২০২০
দেশ

কোভিড সতর্কতা অবলম্বন করে ভোট দিন বিহারবাসী , টুইট মোদির

শুরু হয়েছে বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব । এদিন ৭১ টি আসনে ভোট নেওয়া হচ্ছে। লড়াইয়ের রয়েছেন ১,০৬৬ প্রার্থী। নীতিশ কুমার মন্ত্রিসভার ৮ সদস্যের ভাগ্য নির্ধারিত হচ্ছে এদিন। বুধবার সকালে বিহার ভোট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করেন। আরও পড়ুনঃ আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন , সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের তিনি লেখেন , বিহার বিধানসভা নির্বাচনে আজ প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ। কোভিড সম্পর্কিত সতর্কতা অবলম্বন করে আমি সকল ভোটারকে গণতন্ত্রের এই উৎসবে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করছি। দূরত্ব বিধি মেনে চলুন।পাশাপাশি মাস্ক পরুন। মনে রাখবেন, আগে ভোট দিন, তারপরে জলপান ! প্রসঙ্গত , এই প্রথম করোনা পরিস্থিতিতে সমস্তরকম সতর্কতা মেনে নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন অনুসরণ করেই সমস্ত রকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
উৎসব

অতিমারীর খারাপ প্রভাব থেকে সকলকে রক্ষা করুক আনন্দ উৎসব , টুইট রাজ্যপালের

সকলকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জানিয়ে টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। ্তিনি টুইটে আরও লেখেন , এই মহাপর্ব মন্দের উপরে ভালোর জয় এবং অসত্যের উপরে সত্যের জয়কে চিহ্নিত করে। এই আনন্দ উৎসব অতিমারীর খারাপ প্রভাবের হাত থেকে সকলকে রক্ষা করুক। আরও পড়ুনঃ মহাষ্টমীতে ঢাকের তালে জমিয়ে নাচলেন নুসরত আমাদের সকলের জন্য নিয়ে আসুক শান্তি, সমৃদ্ধি, এবং সুখ। এর আগেও তিনি পুজো্র মধ্যে টুইট করে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, রবিবারের সকালেই তিথি অনুযায়ী বিজয়া দশমী পড়ে গিয়েছে। তারপরই তাঁর টুইটটি করেন রাজ্যপাল।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
কলকাতা

সমস্ত অশুভ শক্তিকে সরিয়ে সকলকে ভয় মুক্ত করুন , প্রার্থনা ধনকড়ের

মা দুর্গা সমস্ত দুঃখ, যন্ত্রণা দূর করবেন। মা দুর্গা সবসময় তাঁর ভক্তদের সাহস জোগান। ভয়কে দূরে সরিয়ে চলতে সাহায্য করেন। মায়ের কাছে প্রার্থনা সমস্ত অশুভ শক্তিকে সরিয়ে সকলকে ভয় মুক্ত করুন। মহাসপ্তমীর সকালে পরপর দুটি টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। প্রথম টুইটে তিনি একথা লেখেন। আরও পড়ুনঃ একতার বার্তা দিয়ে ষষ্ঠীতে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন করলেন নরেন্দ্র মোদি পরের টুইটে তিনি সকলকে সচেতন থাকতে বলেন, সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। করোনার সঙ্গে লড়াই করতে সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মানতে বলেন। সেই সঙ্গে মনে করিয়ে দেন, গত ২৪ ঘণ্টার রাজ্যের করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। টুইটে বেঁধেন মুখ্যমন্ত্রীকেও।

অক্টোবর ২৩, ২০২০
কলকাতা

পুলিশের প্রশংসা করে টুইট রাজ্যপালের

রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশের প্রশংসা করে বুধবার টুইট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি এদিন তাঁর টুইটে লেখেন , সাহসী পুলিশকর্মীদের কুর্নিশ। তাঁরা যেভাবে পারিবারিক দায়িত্বকে তুচ্ছ প্রমাণ করে করোনার মতো মহামারী এবং আমফানের মতো প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে লড়াই চালাচ্ছে, তাঁদের নিঃস্বার্থ ত্যাগকে সম্মান জানাই। তবে টুইটের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের নিরপেক্ষতার বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। প্রসঙ্গত , বিভিন্ন সময় টুইট করে রাজ্যের পুলিশ ও প্রশাসনের সমালোচনা করেছেন তিনি। এহেন রাজ্যপালেরই ফের পুলিশের প্রশংসা দেখে তাজ্জব প্রায় সকলেই।

অক্টোবর ২১, ২০২০
কলকাতা

পশ্চিমবঙ্গে এমবিবিএস পড়ার আসন বেড়ে ৪০০০

পশ্চিমবঙ্গে ডাক্তারি পড়ার আসন বেড়ে হল ৪ হাজার। মঙ্গলবার টুইটে একথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, পুরুলিয়া সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই প্রথম এমবিবিএস পড়ুয়াদের ব্যাচ শুরু হচ্ছে। একইসঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ১০০টি এমবিবিএস আসন নিয়ে এই ব্যাচ শুরু হচ্ছে । আরও পড়ুনঃ আগামীকাল দুর্গাপুজো নিয়ে চূড়ান্ত শুনানি হাইকোর্টে পাশাপাশি দুর্গাপুরের গৌরী দেবী মেডিক্যাল কলেজে আরও ১৫০টি এমবিবিএস আসন বাড়ানো হয়েছে। করোনা আবহে এমবিবিএস পড়ুয়াদের আরও আসন বাড়ার ঘোষণা চিকিৎসা পরিষেবার ক্ষেত্রে অত্যন্ত আশাব্যাঞ্জক।

অক্টোবর ২০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ম্যানগ্রোভ কেটে ক্যাফে! এবার শওকত মোল্লার ছেলেকে সাত দিনের চরম আলটিমেটাম

মাতলা নদীর চর দখল করে তৈরি হওয়া বিতর্কিত ক্যাফেকে ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল প্রশাসন। অভিযোগ, পরিবেশের ক্ষতি করে এবং ম্যানগ্রোভ ধ্বংস করে এই নির্মাণ করা হয়েছিল। এবার সেই ক্যাফে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মালিকপক্ষ নিজে ব্যবস্থা না নিলে প্রশাসন অভিযান চালাবে বলে জানানো হয়েছে।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মৌখালি এলাকায় মাতলা নদীর চরে তৈরি হয়েছিল অরণ্যের কূলে নামে একটি ক্যাফে। এই নির্মাণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। অভিযোগ ছিল, নদীর চর দখল করে এবং পরিবেশের ক্ষতি করে এই স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ক্যাফেটি ভেঙে ফেলতে হবে। তা না হলে প্রশাসন নিজেই ভাঙার কাজ করবে। ইতিমধ্যেই সেখানে নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।নোটিস জারির পর থেকেই ক্যাফে চত্বরে তৎপরতা দেখা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, ভেতর থেকে বিভিন্ন আসবাবপত্র এবং সামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, মালিকপক্ষ পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝেই প্রস্তুতি শুরু করেছে।ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকের দাবি, পরিবেশ ধ্বংস করে কোনও উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য নয়। ম্যানগ্রোভ এবং নদী সংলগ্ন এলাকার প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার অভিযোগ তুলে তাঁরা প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।শুধু এই একটি নির্মাণ নয়, মাতলা নদীর চর জুড়ে গড়ে ওঠা আরও একাধিক বেআইনি স্থাপনার বিরুদ্ধেও সক্রিয় হয়েছে প্রশাসন। বৈধ নথি দেখাতে না পারা বহু নির্মাণের ক্ষেত্রেই উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নদী ও পরিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এই অভিযান আরও বিস্তৃত হতে পারে। ইতিমধ্যেই এলাকায় বেআইনি দখল ও নির্মাণ সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।মাতলা নদীর চর এবং ম্যানগ্রোভ সংরক্ষণকে ঘিরে প্রশাসনের এই পদক্ষেপ আগামী দিনে আরও বড় অভিযানের সূচনা কি না, এখন সেদিকেই নজর স্থানীয় বাসিন্দা এবং রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
দেশ

কয়েক মিনিটেই মৃত্যুকূপে বদলে গেল কোচিং সেন্টার, সামনে এল শিউরে ওঠার মতো তথ্য

সোমবার দুপুর পর্যন্ত সবকিছুই ছিল স্বাভাবিক। কেউ প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, কেউ কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ব্যস্ত বহুতল পরিণত হয় মৃত্যুকূপে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েক জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।লখনউয়ের আলিগঞ্জ এলাকার একটি বহুতলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে ধোঁয়া দেখা যায়। তারপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গোটা ভবনে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। প্রাণ বাঁচাতে বহু মানুষ জানালা দিয়ে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কেউ কেউ উপরতলা থেকে ঝাঁপও দেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল, পুলিশ এবং উদ্ধারকারী বাহিনী। দীর্ঘ সময় ধরে চলে উদ্ধার অভিযান। পাশের ভবনের ছাদ ব্যবহার করে উদ্ধারকারীরা ভিতরে প্রবেশ করেন। অনেক জায়গায় দেওয়াল ভেঙেও আটকে পড়া মানুষদের বের করে আনার চেষ্টা করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবনটির নিচের অংশে পোষ্য প্রাণীর দোকান ও চিকিৎসাকেন্দ্র ছিল। উপরতলায় চলত অ্যানিমেশন ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ। আগুন লাগার পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।উদ্ধার করে বহু মানুষকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। মৃতদের অধিকাংশই তরুণ-তরুণী। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। যারা আগুন থেকে বাঁচতে উপরতলা থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, তাঁদের কয়েক জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।ঘটনার পরই চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভবনের মালিক এবং সংশ্লিষ্ট কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, আবাসিক ভবনটি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে সঠিক কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে এবং দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং। আহতদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের চিকিৎসার খোঁজও নেন তিনি। এই ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রশাসন।মর্মান্তিক এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণাও করা হয়েছে। লখনউয়ের এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রত শিবিরে নাম লেখাতেই বড় শাস্তি! ফিরহাদ-অরূপদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক পদক্ষেপ

রাজ্য রাজনীতিতে আরও গভীর হল তৃণমূলের অন্দরের সংঘাত। শোকজ নোটিস পাঠানোর মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের নির্দেশ অমান্য করে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন আসল তৃণমূল-এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অভিযোগে ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, অরূপ রায়, জাভেদ খান, রথীন ঘোষ, বিপ্লব মিত্র, সাবিনা ইয়াসমিন এবং স্নেহাশিস চক্রবর্তীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সোমবার নিউটাউনের একটি পাঁচতারা হোটেলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের একাধিক পরিচিত মুখ। বৈঠক থেকেই নতুন জাতীয় কর্মসমিতির ঘোষণা করা হয়। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও নাম রাখা হয়নি। চেয়ারম্যান করা হয় অরূপ রায়কে। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ চার নেতাকে।এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস এবং আরও কয়েকজন নেতার নাম উঠে আসে নতুন শিবিরের সঙ্গে। এরপরই কালীঘাটের তৃণমূল নেতৃত্ব তাঁদের শোকজ করে। তবে সেই শোকজের জবাবের জন্য অপেক্ষা না করেই মঙ্গলবার বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে খবর।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বহিষ্কার শুধু সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং তৃণমূলের অন্দরের ক্ষমতার লড়াইকে আরও স্পষ্ট করে দিল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নতুন শক্তি গড়ে উঠছে, অন্যদিকে দলীয় নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে কড়া বার্তা দিতে চাইছে মমতা শিবির।আগামী দিনে আরও কয়েকজন নেতা নতুন শিবিরে যোগ দিতে পারেন বলেও জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে তৃণমূলের অন্দরের এই সংঘাত কোন দিকে গড়ায়, সেদিকে এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির জন্য শতবর্ষী বৃদ্ধার উন্মাদনা! গ্যালারিতে যা করলেন, মুহূর্তে ভাইরাল

লিওনেল মেসির ভক্তের সংখ্যা যে কতটা বিশাল, তার নতুন প্রমাণ মিলল বিশ্বকাপের মঞ্চে। বয়স যেখানে অনেকের কাছে সীমাবদ্ধতা, সেখানে একশো বছর বয়সেও প্রিয় ফুটবলারের খেলা দেখতে স্টেডিয়ামে হাজির হয়ে সকলকে চমকে দিলেন এক বৃদ্ধা। ডালাসের গ্যালারিতে তাঁর উপস্থিতিই এখন সামাজিক মাধ্যমে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ দেখতে গ্যালারিতে বসেছিলেন একশো বছর বয়সি পউলিনে কানা। ধবধবে সাদা চুল, গায়ে আর্জেন্টিনার জার্সি আর হাতে একটি প্ল্যাকার্ড। সেখানে লেখা ছিল, তিনি একশো বছর বয়সি মেসি-ভক্ত। সেই ছবি মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক মাধ্যমে।তবে পউলিনে শুধু মেসির ভক্ত হিসেবেই পরিচিত নন। সামাজিক মাধ্যমেও তাঁর জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া। নাতির সঙ্গে মজার ভিডিও বানিয়ে তিনি কোটি কোটি মানুষের কাছে পরিচিত মুখ। বহু বছর ধরেই তিনি অনলাইনে জনপ্রিয়। তাঁর নাম রয়েছে বিশ্বরেকর্ডের তালিকাতেও। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মেসির প্রতি তাঁর ভালোবাসাই তাঁকে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।এর আগেও মেসির খেলা দেখতে মাঠে হাজির হয়েছিলেন তিনি। তখন একটি পোস্টারে মজার ছলে লিখেছিলেন, মেসি, তুমি কি আমায় বিয়ে করবে? সেই ছবিও ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল। এবারও ব্যতিক্রম হল না। বিশ্বরেকর্ডের ম্যাচে তাঁর উপস্থিতি ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।অন্যদিকে মাঠেও ছিল মেসি-ম্যাজিক। ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করলেও পরে জোড়া গোল করে দলকে জয় এনে দেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। প্রথম গোলটি আসে দুর্দান্ত ফিনিশে, যা গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকদের উচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে দেয়। দ্বিতীয় গোলটি আসে ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে, যা আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করে।এই জোড়া গোলের সুবাদে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বাধিক গোলদাতার নতুন রেকর্ডও গড়েছেন মেসি। ফলে একদিকে মাঠে ইতিহাস, অন্যদিকে গ্যালারিতে একশো বছর বয়সি ভক্তের আবেগ সব মিলিয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকল এই ম্যাচ।ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই বলছেন, মেসির আসল সাফল্য শুধু গোল বা ট্রফিতে নয়, বরং এমন প্রজন্ম পেরোনো ভালোবাসায়। কারণ একশো বছরের এক বৃদ্ধা থেকে শুরু করে কোলে থাকা শিশুও যখন একই ফুটবলারের জন্য গ্যালারিতে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে, তখন বোঝা যায় তাঁর জনপ্রিয়তার বিস্তার কতটা।

জুন ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির বিশ্বরেকর্ডের ম্যাচেই বিস্ফোরক অভিযোগ! গোলটা কি আদৌ বৈধ ছিল?

বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন লিওনেল মেসি, আর্জেন্টিনাকেও তুলে দিয়েছেন নকআউট পর্বে। কিন্তু ম্যাচ শেষের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর গোল নয়, বরং সেই গোলকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক। ফুটবল মহলের একাংশের প্রশ্ন, অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে মেসির প্রথম গোলটি কি আদৌ বৈধ ছিল?ম্যাচের শুরুতে পেনাল্টি মিস করেছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। তবে সেই হতাশা কাটিয়ে পরে জোড়া গোল করে দলকে জয় এনে দেন। ম্যাচের আটত্রিশ মিনিটে দুর্দান্ত ফিনিশে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন তিনি। কিন্তু গোল হওয়ার আগে মাঝমাঠে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনাকে ঘিরেই এখন শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক।অভিযোগ, গোল হওয়ার ঠিক আগে অস্ট্রিয়ার এক ফুটবলারের উপর ট্যাকল করেছিলেন আর্জেন্টিনার এক মিডফিল্ডার। সেই ঘটনায় রেফারি খেলা থামাননি। পরে সেই আক্রমণ থেকেই গোল আসে। ফুটবল বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি, গোলের আগে আক্রমণ তৈরির পর্যায়ে যদি ফাউল হয়ে থাকে, তাহলে প্রযুক্তিনির্ভর পর্যালোচনার মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত ছিল।এই বিতর্কে সরব হয়েছেন ডেনমার্কের কিংবদন্তি গোলরক্ষক পিটার স্মাইকেলও। তাঁর মতে, গোলটি বাতিল হওয়া উচিত ছিল। তিনি দাবি করেন, অস্ট্রিয়ার ফুটবলারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট ফাউল হয়েছিল এবং সেই কারণে আক্রমণ শুরুই হওয়া উচিত ছিল না। প্রযুক্তিনির্ভর পর্যালোচনা ব্যবস্থাও এই বিষয়টি দেখতে ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।ফুটবল মহলের একাংশের মতে, এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এই ধরনের সিদ্ধান্ত আরও বেশি বিতর্ক তৈরি করে। বিশেষ করে যখন সেই গোলের মাধ্যমেই ইতিহাস গড়েন বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার।এটাই অবশ্য প্রথম নয়। এর আগেও আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে মেসিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষের অধিনায়কের বিরুদ্ধে একটি চ্যালেঞ্জকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে। সেই ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নেওয়ায় আপত্তি জানিয়েছিল আলজেরিয়া।অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে মেসি আবারও নিজের অসাধারণ প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন। তবে রেকর্ড গড়ার রাতেও বিতর্ক যে তাঁর পিছু ছাড়ল না, তা বলাই যায়। এখন ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, গোলটি কি নিয়ম মেনেই হয়েছিল, নাকি রেফারির একটি সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারত ম্যাচের গল্প?

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ঋতব্রতদের আগেই বড় চাল মমতার! নির্বাচন কমিশনে চিঠি ঘিরে তোলপাড় রাজনীতি

তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঘিরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র হল। একদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠনের দাবি করেছে, অন্যদিকে তার আগেই নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের কর্মসমিতির তালিকা পাঠিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সূত্রের খবর, ঋতব্রত শিবিরও নিজেদের নতুন কমিটির নথি কমিশনে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল। কিন্তু তার আগেই পদক্ষেপ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন শিবির। কমিশনের কাছে পাঠানো তালিকায় চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাখা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কারের ঘোষণা করেছিল। সেই আবহেই কমিশনে পাঠানো তালিকায় অভিষেকের নাম থাকা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, কমিশনে পাঠানো তালিকায় মোট চব্বিশ জন নেতার নাম রয়েছে। যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন দোলা সেন এবং ডেরেক ওব্রায়েন। সহ সভাপতি পদে রাখা হয়েছে সুব্রত বক্সীকে। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন শুভাশিস চক্রবর্তী। তালিকায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামও রয়েছে। তাঁর পরিচয়ের পাশে বিধানসভার দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়াও দলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নেতার নাম ওই তালিকায় রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, নির্বাচন কমিশনের কাছে আগে নথি জমা দিয়ে সাংগঠনিক লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিতে চেয়েছে মমতা শিবির।এদিকে রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত তৃণমূলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধু আইনি লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দলের কর্মী, সমর্থক এবং ভোটারদের সমর্থন কোন দিকে যায়, সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বিশ্লেষকদের বক্তব্য, রাজনৈতিক দলের নাম বা প্রতীকের প্রশ্ন আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে নির্ধারিত হতে পারে। কিন্তু সাধারণ ভোটারদের আস্থা এবং সমর্থন কোন নেতৃত্বের দিকে ঝুঁকবে, সেটি রাজনৈতিক বাস্তবতার উপর নির্ভর করবে।তাই আপাতত তৃণমূলের ভিতরে এই ক্ষমতার লড়াই আরও দীর্ঘ হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন, আদালত এবং জনমতের লড়াই তিন দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। আগামী দিনে এই সংঘাত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দলে ভাঙন, রাজনীতিতে চাপ! এরই মধ্যে বিদেশযাত্রার অনুমতি চাইলেন অভিষেক

চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে এই সংক্রান্ত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহের জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছেন তিনি। আগামীকাল এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতে একাধিকবার চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশে গিয়েছেন। বিভিন্ন মামলার কারণে তদন্তকারী সংস্থার নজরদারির মধ্যে থাকায় বিদেশ সফরের আগে আদালতের অনুমতি নেওয়া তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক হয়ে উঠেছে।এর আগে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বিদেশে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে জানাতে হতো অভিষেক ও তাঁর স্ত্রীকে। সেই নিয়ম মেনেই অতীতে বিদেশে চিকিৎসার জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। পরে আদালতের অনুমতি পেয়ে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বিদেশ সফরও করেন।বর্তমানে একটি নির্বাচনী প্রচার সংক্রান্ত মামলায় আদালতের নির্দেশ রয়েছে যে, বিচারালয়ের অনুমতি ছাড়া তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সেই কারণেই এবার সরাসরি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়া প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১৬ সালে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই দুর্ঘটনায় তাঁর বাঁ চোখের নিচের অংশে মারাত্মক আঘাত লাগে এবং চোখের হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে চোখের সমস্যায় ভুগছেন তিনি।গত কয়েক বছরে দেশের বাইরে একাধিক জায়গায় চিকিৎসা করিয়েছেন অভিষেক। একাধিক অস্ত্রোপচারও হয়েছে তাঁর চোখে। চিকিৎসকদের পরামর্শেই আবারও বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এখন নজর আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে। চিকিৎসার প্রয়োজনে বিদেশ সফরের অনুমতি মেলে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী শুনানির পরই বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

জুন ২৩, ২০২৬
কলকাতা

১২ রাউন্ড পর্যন্ত এগিয়ে মমতা, তারপর কী ঘটেছিল? আদালতে বিস্ফোরক দাবি

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও ফুটেজ মুছে ফেলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারী জয়ী হন। সেই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ভোটগণনার সময় অনিয়ম এবং কারচুপি হয়েছিল। সেই মামলারই শুনানি ছিল মঙ্গলবার।আদালতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, ভোটগণনার প্রথম ১২ রাউন্ড পর্যন্ত সবকিছু স্বাভাবিক ছিল এবং তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু তার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যায় বলে অভিযোগ তাঁর।আইনজীবীর দাবি, তৃণমূলের গণনা এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকী কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় আদালতে। তাঁর বক্তব্য, ১৩ নম্বর রাউন্ড থেকে গণনার ফলাফলে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা যায় এবং তার সমস্ত তথ্য সিসিটিভি ফুটেজে রয়েছে।শুনানিতে আরও অভিযোগ করা হয়, ভবানীপুরের রিটার্নিং অফিসারকে নিয়ে আগে থেকেই আপত্তি ছিল। তা সত্ত্বেও তাঁকেই ওই দায়িত্বে রাখা হয়েছিল। এই বিষয়টিও আদালতের নজরে আনা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয় যাতে দ্রুত মামলার নিষ্পত্তি করা হয়। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ, ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়ারও আর্জি জানানো হয়।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত গণনাকেন্দ্রের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে ভবানীপুর কেন্দ্রের ব্যবহৃত ইভিএম এবং ভিভিপ্যাটও সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। আদালতের অনুমতি ছাড়া কোনও তথ্য বা ফুটেজ নষ্ট করা যাবে না।এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে দুই মাস পরে। তবে আদালতের এই নির্দেশের পর ভবানীপুর নির্বাচনের ফলাফল এবং ভোটগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal